রংপুর জেলার প্রতিবেদন

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় রংপুর জেলার প্রতিবেদন।

রংপুর জেলার প্রতিবেদন:-

রংপুর জেলা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগের একটি প্রশাসনিক ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। বাংলাদেশের দ্বিতীয় জেলা রংপুর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৭৬৯ সালে। উপজেলার সংখ্যানুসারে রংপুর বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণীভুক্ত জেলা।[২] ৭০০ বছরের ঐতিহ্যের ধারক বাহক বর্তমানে জিআই পণ্য শতরঞ্জি রংপুরের বিখ্যাত বস্তু। এছাড়া, হাড়িভাঙ্গা আম এবং তামাকের জন্যও রংপুর বিখ্যাত। রংপুরকে বাহের দেশ বলা হয়।

 

রংপুর জেলার প্রতিবেদন
রংপুর চিড়িয়াখানা – রংপুর জেলা

 

কর্ম-পরিকল্পনা ২০২২-২৩

কর্ম-পরিকল্পনা ২০২৩-২৪

২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির অগ্রগতি প্রতিবেদন(১ম কোয়ার্টার)

২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির অগ্রগতি প্রতিবেদন(২য় কোয়ার্টার)

২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির অগ্রগতি প্রতিবেদন (৩য় কোয়ার্টার)

২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির অগ্রগতি প্রতিবেদন (৪র্থ কোয়ার্টার)

 

নামকরণের ক্ষেত্রে লোকমুখে প্রচলিত আছে যে পূর্বের ‘রঙ্গপুর’ থেকেই কালক্রমে এই নামটি এসেছে। ইতিহাস থেকে জানা যায় যে উপমহাদেশে ইংরেজরা নীলের চাষ শুরু করে। এই অঞ্চলে মাটি উর্বর হবার কারণে এখানে প্রচুর নীলের চাষ হত। সেই নীলকে স্থানীয় লোকজন রঙ্গ নামেই জানত। কালের বিবর্তনে সেই রঙ্গ থেকে রঙ্গপুর এবং তা থেকেই আজকের রংপুর। অপর একটি প্রচলিত ধারণা থেকে জানা যায় যে রংপুর জেলার পূর্বনাম রঙ্গপুর।

প্রাগ জ্যোতিস্বর নরের পুত্র ভগদত্তের রঙ্গমহল এর নামকরণ থেকে এই রঙ্গপুর নামটি আসে। রংপুর জেলার অপর নাম জঙ্গপুর । ম্যালেরিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব থাকায় কেউ কেউ এই জেলাকে যমপুর বলেও ডাকত। তবে রংপুর জেলা সুদূর অতীত থেকে আন্দোলন প্রতিরোধের মূল ঘাঁটি ছিল। তাই জঙ্গপুর নামকেই রংপুরের আদি নাম হিসেবে ধরা হয়। জঙ্গ অর্থ যুদ্ধ, পুর অর্থ নগর বা শহর।

গ্রাম থেকে আগত মানুষ প্রায়ই ইংরেজদের অত্যাচারে নিহত হত বা ম্যালেরিয়ায় মারা যেত। তাই সাধারণ মানুষ শহরে আসতে ভয় পেত। সুদূর অতীতে রংপুর জেলা যে রণভূমি ছিল তা সন্দেহাতীত ভাবেই বলা যায়। ত্রিশের দশকের শেষ ভাগে এ জেলায় কৃষক আন্দোলন যে ভাবে বিকাশ লাভ করে ছিল তার কারণে রংপুরকে লাল রংপুর হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছিল।

 

রংপুর জেলার প্রতিবেদন
কারমাইকেল কলেজ – রংপুর জেলা

Leave a Comment